রোগের নাম কোল্ড সোর হলেও রোগটি কোল্ড বা ঠাণ্ডা থেকে সৃষ্টি হয় না। কোল্ড সোরকে ফিভার ব্লিস্টার বা জ্বরঠোসাও বলা হয়ে থাকে; যদিও জ্বরের কারণে কোল্ড সোর হয় না। কোল্ড সোর সৃষ্টি হয়ে থাকে একটি ভাইরাস দ্বারা, যার নাম হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস; বিশেষ করে টাইপ-১ হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস দ্বারা।
কোল্ড সোর একটি ছোঁয়াচে রোগ। এ ভাইরাসের বিস্তৃতি লাভ করে চুমুর মাধ্যমে। একই খাবারের পাত্র ব্যবহার করলে, বডি ফ্লুইড সংমিশ্রণের মাধ্যমে অর্থাৎ আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত খাবারের পাত্র দিয়ে আপনি যদি খাবার খান তাহলে ভাইরাস আপনার দেহে সংক্রমিত হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তি যদি আপনাকে চুমু খায় তাহলেও ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে।
এ রোগ সাধারণত ঠোঁটে বেশি দেখা যায়। ৫০ বছর বয়সের নিচে বিশ্বব্যাপী প্রতি তিনজনের দুজনই কোল্ড সোরে ভুগে থাকেন। একবার কোল্ড সোর হয়ে গেলে তা সারাজীবন বিভিন্ন সময়ে দেখা দেয়।
ফিচার বিজ্ঞাপন
কোরিয়া ভিসা প্রসেসিং (চাকুরীজীবি)
বালি-লম্বক-গিলি আইল্যান্ড ৭দিন ৬ রাত
USA Visa (Private Job Holder)
লেখক : মুখ ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ dr.faruqu@gmail.com
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
কুইক সেল অফার
Online Shopping BD (Facebook Live)৩৮৯ বার পড়া হয়েছে





