এখন গ্রীষ্ম। তাই প্রকৃতিতে গরমের প্রাধান্যও বেশি। তাই টেবিলে সাদা রঙের ক্লথ শুভ্রতা ও আরামদায়ক অনুভূতি দেবে। তবে এই সময়ে বাসায় সাদা টেবিল ক্লথা না থাকলে যেকোনো বিছানার সাদা চাদর বা সাদা ওড়না ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া পুরোনো জামদানির পাড় বা ফেলে রাখা শাড়ি কেটে নকশা করতে পারেন।
টেবিল ক্লথ যেহেতু সাদা তাই খাবার পরিবেশনের বাসন হওয়া চাই একটু রঙিন। ঘরে থাকা রঙিন বাসন ভিন্ন রূপ এনে দেবে। রঙিন সিরামিক বা মেলামিনের বাসনে সকালের নাশতা পরিবেশন করতে পারেন। চামচ ব্যবহার করতে পারেন সিরামিকের বা কাঠের। টেবিলে সামান্য স্নিগ্ধতা আনতে পারে ফুল। তবে বাইরে গিয়ে নয়, বরংআপনার বারান্দায়, ছাদে বা বাগানে ফোটা ফুল বা শুধু সবুজ পাতাও পানিতে ধুয়ে এক কোণে সাজাতে পারেন।
দুপুরের খাবার পরিবেশনের আগে টেবিল ক্লথটা পরিবর্তন করে নিতে পারেন। কারণ টেবিল সাজাতে টেবিল ক্লথ খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এ সময়ে একটু ভারী খাবার পরিবেশন হবে তাই টেবিল ক্লথের রং হতে পারে হালকা গোলাপি বা নীল ধরনের। ক্লথ না থাকলে একই রকম ভাবে এই রঙের নকশা বা ছোট ফুলের ছাপা চাদর বা ওড়না বিছানো যাবে অনায়াসে। আর সব সময়ে ব্যবহারের সময় প্লাস্টিকের টেবিল ম্যাট বিছিয়ে নিলে পরিষ্কার করাও সহজ হবে।
দুপুরের খাবার পরিবেশনের জন্য স্বচ্ছ কাচের বাসন ব্যবহার করা যেতেই পারে। সকালে গোল আকারের বাসন ব্যবহার করলে দুপুরে একটু পরিবর্তন এনে ঘরে থাকা চারকোনা আকারের বাসন টেবিলে সাজানো যায়। রুপালি রঙের চামচ এই বাসনের সঙ্গে মানানসই হবে। টেবিলের এক পাশে ঘরে থাকা ফল ঝুড়িতে বা কাচের বোলে সাজিয়ে রাখলে কিছু নতুনত্বআসবে।
ফিচার বিজ্ঞাপন
মিশর ভিসা (বিজনেসম্যানদের জন্য)
Australia Visa (for Private Service Holder)
US Student Visa
রাতের জন্য টেবিল ক্লথ হিসেবে লাল রঙের কোনো কাপড় বেছে নিতে পারেন। তার ওপর সাদা বা হালকা রঙের টেবিল ম্যাট ও রানার বিছিয়ে দিন। একরঙা সাদা বা কালোর পাশে সোনালি বর্ডার করা সিরামিকের ডিনার সেট ভালো লাগবে। এর সঙ্গে সোনালি রঙের চামচ ব্যবহার করতে পারেন। আর টেবিলের পাশে ঘরে থাকা মোম গ্লাসে সাজালে টেবিলের সাজে আসবে পূর্ণতা।
প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।
৩৫৭ বার পড়া হয়েছে





