আগামী ১৬ আগস্ট থেকে ঢাকা-কুয়ালালামপুর ফ্লাইট শুরু ইউএস-বাংলার। দীর্ঘ পাঁচ মাস পর আগামী  ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে পুনরায় ফ্লাইট শুরু করতে যাচ্ছে।

করোনা পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ রুটের পর এশিয়ার অন্যতম গন্তব্য কুয়ালালামপুরে ফ্লাইট শুরু করতে যাচ্ছে এ বেসরকারি এয়ারলাইনসটি।

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি ও ভ্রমণসংক্রান্ত নির্দেশনা পালন করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুদিন ঢাকা-কুয়ালালামপুর ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৃহস্পতি ও রোববার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। কুয়ালালামপুর থেকে একই দিন স্থানীয় সময় বিকাল ৩টা ৫০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসবে। ১৬৪ আসনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা-কুয়ালালামপুর-ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসে ছয়টি ব্র্যান্ড নিউ এটিআর ৭২-৬০০, তিনটি ড্যাশ ৮-কিউ৪০০ ও চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ সহ মোট ১৩টি এয়ারক্রাফট রয়েছে।

ফিচার বিজ্ঞাপন

Cairo, Alexandria & Sharm El Sheikh 6D/5N

মূল্য: 57,900 Taka

চায়না ভিসা (বিজনেসম্যান)

মূল্য: ১০,০০০ টাকা

বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ঢাকা থেকে গুয়াংজু রুটে সপ্তাহে একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এ ছাড়া কোভিড-১৯ মহামারীর এ সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন গন্তব্যে আটকেপড়া যাত্রীদের সুবিধার্থে ও কার্গো পরিবহনে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করছে এ এয়ারলাইনস।

করোনার কারণে আটকেপড়া যাত্রীদের সুবিধার্থে চেন্নাই, কলকাতা, দিল্লি, লাহোর, ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, আবধাবি, দুবাই, দোহা, মাসকাটসহ ইউরোপের অন্যতম গন্তব্য ফ্রান্সের প্যারিসে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস স্পেশাল ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

ঢাকা-কুয়ালালামপুর-ঢাকা ফ্লাইটসংক্রান্ত যে কোনো তথ্যের জন্য নিকটস্থ ট্রাভেল এজেন্ট অথবা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের সেলস কাউন্টারে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করেছে এ এয়ারলাইনস।

প্রাসঙ্গিক কথাঃ “ঢাকা বৃত্তান্ত”প্রচলিত অর্থে কোন সংবাদ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ সাইট নয়। এখানে প্রকাশিত কোন ফিচারের সাথে সংবাদ মাধ্যমের মিল খুঁজে পেলে সেটি শুধুই কাকতাল মাত্র। এখানে থাকা সকল তথ্য ফিচার কেন্দ্রীক ও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত। “ঢাকায় থাকি”কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে এসব তথ্য একত্রিত করার ফলে তা ঢাকাবাসীকে সাহায্য করছে ও করবে। আসুন সবাই আমাদের এই প্রিয় ঢাকা শহরকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলি। আমরা সবাই সচেতন, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।



৩৩৯ বার পড়া হয়েছে