এই অধ্যায়ে আমরা যা শিখব:

১. চর্যাপদ আবিষ্কারের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং সময়কাল।
২. মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর অবদান ও তাঁর নেপাল ভ্রমণের ইতিবৃত্ত।
৩. কোথা থেকে এবং কীভাবে চর্যাপদের পুঁথি উদ্ধার করা হয়েছিল।
৪. চর্যাপদের সঙ্গে আবিষ্কৃত অন্যান্য পুঁথিগুলোর নাম।
৫. বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদের আনুষ্ঠানিক প্রকাশনা।

নীচের ভিডিওতে ক্লিক করে পুরো গল্প-আলোচনাটি শুনুন।

এই গল্প থেকে আমরা যা যা শিখলাম:

১. আবিষ্কারের সাল ও স্থান: চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়্যাল লাইব্রেরি থেকে।
২. আবিষ্কারক: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এটি উদ্ধার করেন। তিনি নেপালে মোট তিনবার (১৮৯৭, ১৮৯৮ ও ১৯০৭) ভ্রমণ করেছিলেন।
৩. প্রকাশনা: ১৯১৬ সালে কোলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ বই আকারে প্রকাশিত হয়।
৪. মূল বইয়ের নাম: প্রকাশিত বইটির পূর্ণ নাম ছিল হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’
৫. সাথে থাকা অন্যান্য পুঁথি: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের সাথে আরও তিনটি পুঁথি উদ্ধার করেছিলেন— সরহপাদের দোহাকোষ, কাহ্নপাদের দোহাকোষ এবং ডাকার্ণব।

এমসিকিউ প্রশ্ন:

প্রশ্ন: চর্যাপদ কত সালে এবং কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়?
ক) ১৯১৬ সালে, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে
খ) ১৮৯৭ সালে, নেপালের রাজদরবার থেকে
গ) ১৯০৭ সালে, নেপালের রয়্যাল লাইব্রেরি থেকে
ঘ) ১৯২১ সালে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে