এই অধ্যায়ে আমরা যা শিখব:

১. চর্যাপদের প্রকৃত নাম কী ছিল এবং তা নিয়ে পণ্ডিতদের মতামত।
২. তালপাতার পুঁথিতে প্রাপ্ত মোট পদের সংখ্যা এবং হারানো পদগুলোর বিবরণ।
৩. চর্যাপদের রচনাকাল নিয়ে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিতর্ক।
৪. চর্যাপদের সংস্কৃত টীকাকারের পরিচয়।
৫. পুঁথিটি শারীরিকভাবে দেখতে কেমন ছিল এবং কীভাবে তা পাঠোদ্ধার করা হয়েছিল।

নীচের ভিডিওতে ক্লিক করে পুরো গল্প-আলোচনাটি শুনুন।

এই গল্প থেকে আমরা যা যা শিখলাম:

১. নামকরণ বিভ্রাট: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রদত্ত নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’। অন্যান্য প্রস্তাবিত নাম হলো ‘আশ্চর্য চর্যাচয়’ এবং ‘চর্যাগীতিকোষ’।
২. পদের সংখ্যা: চর্যাপদে মোট পদের সংখ্যা ৫০টি (মতান্তরে ৫১টি), তবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে সাড়ে ছেচল্লিশটি (৪৬.৫)
৩. নিখোঁজ পদ: ২৪, ২৫ ও ৪৮ নম্বর পদ সম্পূর্ণ নিখোঁজ এবং ২৩ নম্বর পদটি খণ্ডিত বা অর্ধেক পাওয়া গেছে।
৪. রচনাকাল বিতর্ক: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এর সময়কাল ৬৫০-১২০০ খ্রি. এবং ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ৯৫০-১২০০ খ্রি.
৫. সংস্কৃত টীকাকার: চর্যাপদের টীকা বা ব্যাখ্যা লিখেছিলেন মুনীদত্ত। তাঁর টীকার নাম ছিল ‘নির্মলগিরা’।

এমসিকিউ প্রশ্ন:

প্রশ্ন: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের রচনাকাল কত?
ক) ৯৫০ – ১২০০ খ্রি.
খ) ৬৫০ – ১২০০ খ্রি.
গ) ১২০১ – ১৩৫০ খ্রি.
ঘ) ৭৫০ – ১২০০ খ্রি.